সোমবার, ৮ মার্চ, ২০১০

সাতকানিয়ায় তিতকরলা চাষ কৃষকদের ভাগ্য খুলে দিয়েছে


সাতকানিয়ায় তিতকরলা চাষ কৃষকদের ভাগ্য খুলে দিয়েছে

দারিদ্র্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে আপন ভাগ্য পরিবর্তন করতে শিখেছেন সাতকানিয়া উপজেলার সবজি চাষীরা। পাহাড়ের পাদদেশে সাতকানিয়ার চরতি ইউনিয়ন। পানিছড়ি এলাকা চরতি ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল পূর্ব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কেনো সরকারি সহযোগিতা ছাড়াই পরিকল্পিতভাবে তিতকরলা চাষ এলাকার মানুষের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। পার্শ্ববর্তী ঢলু নদীর পানি কমবেশি থাকলেও পানিছড়ি এলাকা দূরবর্তী হওয়ায় সেচকার্য চলে ডিপ টিউবওয়েলে। সবজি বাগানের জন্য সেচ কাজ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, বীজ সংগ্রহ কঠিন ব্যাপার হলেও পানিছড়ি এলাকার সবজি চাষীরা নিজেদের ভাগ্য বদলেছেন। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে কমবেশি তিতকরলা চাষ হলেও চরতি, কাঞ্চনা, এওচিয়া, গারাঙ্গিয়া, খাগরিয়া, ধর্মপুর, ছদাহাসহ বিভিন্ন এলাকায় তিতকরলা চাষ হয়। উপজেলার চরতি ইউনিয়নের পানছড়ি এলাকার অলি আহমদ কৃষক পরিবারের সন্তান। কৃষক সমাজ বলে অবহেলিত। দারিদ্র্য যাদের নিত্যসঙ্গীÑ এমনি এক পরিবারের ছেলে রুবেল (১৩)। পরিবারের স্বচ্ছলতা আনয়নে দিন কাটে তাদের সারাক্ষণ চিন্তাভাবনায়। সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে প্রথমে দেখা হয় রুবেলের সঙ্গে। সে বলেন, এক শতক জায়গায় তিতকরলা চাষ করতে। এতে ৯০০ টাকা লাগে। প্রতি কেজি করলা বিক্রি করেন ২০-২২ টাকা। পাইকারি-খুচরা দুভাবে ক্ষেতের তিতকরলা বিক্রি হয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে পাইকাররা আসেন তা কিনতে। তারা আরো জানান, সরকারি সহযোগিতা পেলে আরো বেশি সবজি চাষ করতে পারতেন। এ ব্যাপারে সাতকানিয়া উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম জহির জানান, তিতকরলা চাষীরা আমাদের শরণাপন্ন হলে সহযোগিতা করা হবে। কৃষি কর্মকর্তা সিরাজ উদ্দীন হোসেন জানান, তিনি নতুন এ কাজে যোগদান করেছেন।
যোগদানের তিনদিনের মাথায় এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এলাকায় কৃষির উন্নয়নে সর্বাতœক প্রচেষ্টা তিনি চালিয়ে যাবেন। চেয়ারম্যান আবু তাহের জানান, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে কৃষিখাতকে বাঁচিয়ে রাখতে পারলে দেশের উন্নতি হবে।

তথ্য সূত্র: যায়যায়দিন


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন