বুধবার, ১০ মার্চ, ২০১০

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও কমেনি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ

বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও কমেনি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ।। শিকলবাহাসহ কম ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার চিন্তা ভাবনা


দেশে মোট বিদ্যুত উৎপাদন বাড়লেও তার সুফল পাচ্ছে না সাধারণ গ্রাহকরা।

গত সপ্তাহে তিন দিনে দৈনিক ৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুত উৎপাদন হয়েছে, গত সেপ্টেম্বরের পর এটাই সর্বোচ্চ। গ্যাসচালিত বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি জ্বালানি সরবরাহে এ ফল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি, বিদ্যুত ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ সময়ে জাতীয় গ্রিডে ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত যোগ হলেও চাহিদা ৪৫০ মেগাওয়াট বেড়ে যাওয়ায় তাতে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির অবসান হয়নি।

বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুত সেলের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বিডিনিউজকে বলেন, ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করতে সরকার এ গ্রীষ্মে বিদ্যুত উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয়।

গ্যাসচালিত সচল বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন প্রায় ৭০ কোটি মেট্রিক কিউবিক ফুট গ্যাস প্রয়োজন, যা দেশে উৎপাদিত মোট গ্যাসের প্রায় ৩৫ শতাংশ। দেশের মোট বিদ্যুতের ৯০ শতাংশ এ সব গ্যাসচালিত বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতেই উৎপাদিত হয়। এ সব বিদ্যুত কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়লেও তা যথেষ্ট নয়।

গত সোমবার শুধু গ্যাসের অভাবে মোট উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে ৭৭২ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করা যায়নি। সম্প্রতি চালু হওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্র গ্যাসের অভাবে গত সোমবার মাত্র ৩২ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করতে পেরেছে বলে জানান ওই কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক।

বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ খান বলেন, আমরা বিদ্যুত উৎপাদনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করছি। এর ওপর ভিত্তি করে বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উৎপাদন কম হয় এমন কেন্দ্রগুলোতে কাজ বন্ধ রাখার কথাও ভাবছে মন্ত্রণালয়।

মোহাম্মদ হোসেন এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, শিকলবাহা বিদ্যুত কেন্দ্রে এখন যে পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, তার এক-তৃতীয়াংশ দিয়ে একই ক্ষমতার অন্য একটি কেন্দ্র পরিচালনা সম্ভব।

শিকলবাহা কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট।


তথ্য সূত্র: আজাদী

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন