
কেইপিজেডে দিনরাত চলছে পাহাড় নিধন, লেক ভরাট
আবেদুলজ্জামান আমিরী
কেইপিজেড এর চারপাশে বিপুল সংখ্যাক সিরিকউরিটি গার্ড বসিয়ে দিনে রাতে চলছে পাহাড় নিধন। পাহাড় কাটা নিষিদ্ধ হলেও বিগত জানুয়ারি থেকে এখানে পাহাড় কাটা চলছে।। পরিবেশ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, কেইপিজেড কর্তৃপক্ষকে পাহাড় কাটার কোন অনুমতি দেয়া হয়নি। সূত্র বলেছে, বিগত জানুয়ারি থেকে কেইপিজেড এলাকাস্থ ১১৩টি ইউনিটের মধ্যে ৪টি ইউনিটের উন্নয়ন কাজ চলছে। কেইপিজেড এলাকার পশ্চিম দিকের ৪টি ইউনিটকে ১৬ টি ‘সু’ ফ্যাক্টরি নির্মাণের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। মিড়িয়া ও লোকচক্ষু থেকে আড়াল করতে ওই এলাকায় সাধারন জনসাধারন ও মিডিয়ার লোকজনের যাতায়াতে বাধা দেয়া হচ্ছে। সূত্র বলেছে, পাহাড় নিধন শুরু হওয়ার পর এ এলাকায় নতুন করে প্রচুর নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করেছে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা কর্মীদের প্রহারায় ৪টি এসকেবেটর, ৬টি ড্রেজার ও ৮টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে দিনে রাতে চলছে পাহাড় কাটা, জলাশয় ও লেক ভরাট করার কাজ। কাজে গতিশীলতা আনতে পাহাড় কাটার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও যন্ত্রপাতিকে ঘন্টায় ১১৫০ টাকা থেকে ১৩শ টাকা পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, কাজে ব্যবহারের জন্য আরো যানবাহন চাওয়া হলেও পাহাড় কাটার কাজ নিষিদ্ধ হওয়ায় অনেকে যানবাহন সরবরাহ দিতে রাজি হয়নি। ইতোপূর্বে আরেকবার এ ধরনের কাজ হাতে নেয়ায এলাকার লোকজন বিক্ষোভ করে। ফলে কর্তৃপক্ষ সেসময় পাহাড় কাটা বন্ধ রেখেছিল।
সূত্রমতে, পাহাড় না কাটার শর্তে সরকার প্রায় ৪ হাজার ৫শ একরের বিশাল এ পাহাড়ি ভূমি নামমাত্র মূল্যে কেইপিজেড কর্তৃক্ষকে বরাদ্দ দিয়েছিল। কেইপিজেড কর্তৃক ২০০৭ সালের ২ জুলাই প্রকাশিত প্লান্টেশান ম্যাপ ও ২০০৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত মাস্টার প্ল্যানে পাহাড়ের পাদদেশে মিলকারখানা স্থাপনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কেইপিজেড জিএম মোহাম্মদ শাহজাহান পাহাড় কাটার কথা অস্বীকার করে বলেছেন, পাহাড়গুলোকে ড্রেজিং করা হচ্ছে। পাহাড় নিধনের ফলে ব্যাপক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন