বিশ্ব কিডনি দিবস আজ, চট্টগ্রামে রোগীর সঠিক পরিসংখ্যান নেই
চট্টগ্রামে কিডনি রোগীর নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। মাসে কিংবা বছরে কত সংখ্যক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কতজন রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুফল পায়, স্থায়ীভাবে কতজন মানুষ এ রোগে ভুগছে। চট্টগ্রামভিত্তিক তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
আজ বিশ্ব কিডনি দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘ কিডনি সুস্থ রাখতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখুন’। চট্টগ্রামে গত পাঁচ বছর ধরে এ দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে।
গতকাল চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কিডনি বিভাগ ও বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনে গিয়ে এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ক্রমান্বয়ে দেশে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সেবা কেন্দ্র বাড়েনি। বর্তমানে সরকারিভাবে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রাম মা-শিশু জেনারেল হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। তবে তা বেশ তা ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে গরিব রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসাসেবা নেয়া সম্ভব হয় না।
চট্টগ্রামের কিডনি রোগীর পরিসংখ্যান বিষয়ে বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এ এম এম এহতেশামুল হক বলেন, কিডনি ফাউন্ডেশনে কত রোগী চিকিৎসা নিতে আসে তার কোনো হিসাব আমাদের কাছে নেই। আসলে এ হিসাব রাখা যায় না। তবে তিনি দেশের কিছু পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে দুই লাখের মত কিডনি রোগী আছে। দেশের ২৫ হাজার প্রনিক (ধীরে ধীরে কিডনি রোগ সৃষ্টি হয় এবং ভাল হয় না) রোগী আছে। ১৫ হাজার একিউট রোগী (হঠাৎ রোগ দেখা দেয়, চিকিৎসায় ভাল হয়) আছে। মোট জনসংখ্যার পাঁচ থেকে সাত শতাংশ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানান, নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ আনুষঙ্গিক বেশ কিছু কারণে কিডনি বিকল হয়। প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগ শনাক্ত করা গেলে নিরাময় করা সম্ভব। এ রোগের লক্ষণ হল- শরীরে পানি এসে ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তকণিকা যাওয়া, গায়ের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া এবং ঘন ঘন গায়ে জ্বর হওয়া। এ সব লক্ষণ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
তথ্য সূত্র: সুপ্রভাত
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন