খাগড়াছড়ির মেয়র জয়নাল আবেদীন দ্বিতীয়বারের মতো দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত
অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সন্ত্রাসের অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মোঃ জয়নাল আবেদীনকে গতকাল সাময়িক বরখাস্ত করেছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ হারুনুর রশিদ স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, তাঁর (জয়নাল) বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলর কর্র্তৃক আনীত অভিযোগসমূহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ায় মন্ত্রণালয় এ আদেশ প্রদান করেছে। ২০০৭ সালেও তিনি আরো একবার সাময়িক বরখাস্ত হলে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের মাধ্যমে রক্ষা পান।
বরখাচ্চ আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়, জয়নাল আবেদীন’র দ্বারা পৌরসভার মেয়র হিসেবে ক্ষমতা প্রয়োগ, পৌরসভার জন্য স্বার্থহানিকর এবং প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ হতে সমীচীন নয় এবং ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার আইনের ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জয়নাল আবেদীন’র বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।
একই আইনের ৩১(২নং উপধারা) অনুযায়ী এ বরখাস্ত আদেশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে প্যানেল মেয়র-১’র কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য ২০০৪ সালের অক্টোবরে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে প্রহসনমূলক ও জোর জবরদস্তির নির্বাচনের মাধ্যমে তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি থেকে জয়নাল আবেদীন পৌর মেয়র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমলে ওয়ান- ইলেভেন সরকার প্রাথমিকভাবে তাকে একবার সাময়িক বরখাস্ত এবং অনিয়ম- দুর্নীতির তদন্ত শুরূ করলে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী অংশের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে বহাল তবিয়তে খাগড়াছড়িতে অবস্থান করেন। জয়নাল আবেদীন’র রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে ওয়াদুদ ভূইয়া’র ভূমিকা থাকলেও ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময়ে জয়নাল সাবেক এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া’র সাথে রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ বরখাস্ত’র পেছনে পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মেয়রের নিজ দলীয় কয়েকজন কাউন্সিলরের ইন্ধন রয়েছে বলে মেয়রপন্থী একজর কাউন্সিলর মন্তব্য করেছেন।খাগড়াছড়ির মেয়র জয়নাল আবেদীন দ্বিতীয়বারের মতো দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি:
অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সন্ত্রাসের অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক আদেশে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মোঃ জয়নাল আবেদীনকে গতকাল সাময়িক বরখাস্ত করেছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ হারুনুর রশিদ স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, তাঁর (জয়নাল) বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলর কর্র্তৃক আনীত অভিযোগসমূহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ায় মন্ত্রণালয় এ আদেশ প্রদান করেছে। ২০০৭ সালেও তিনি আরো একবার সাময়িক বরখাস্ত হলে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের মাধ্যমে রক্ষা পান।
বরখাচ্চ আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়, জয়নাল আবেদীন’র দ্বারা পৌরসভার মেয়র হিসেবে ক্ষমতা প্রয়োগ, পৌরসভার জন্য স্বার্থহানিকর এবং প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ হতে সমীচীন নয় এবং ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার আইনের ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জয়নাল আবেদীন’র বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।
তথ্য সূত্র: সুপ্রভাত
একই আইনের ৩১(২নং উপধারা) অনুযায়ী এ বরখাস্ত আদেশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে প্যানেল মেয়র-১’র কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য ২০০৪ সালের অক্টোবরে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে প্রহসনমূলক ও জোর জবরদস্তির নির্বাচনের মাধ্যমে তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি থেকে জয়নাল আবেদীন পৌর মেয়র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমলে ওয়ান- ইলেভেন সরকার প্রাথমিকভাবে তাকে একবার সাময়িক বরখাস্ত এবং অনিয়ম- দুর্নীতির তদন্ত শুরূ করলে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী অংশের সাথে গাঁটছড়া বেঁধে বহাল তবিয়তে খাগড়াছড়িতে অবস্থান করেন। জয়নাল আবেদীন’র রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে ওয়াদুদ ভূইয়া’র ভূমিকা থাকলেও ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময়ে জয়নাল সাবেক এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া’র সাথে রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ বরখাস্ত’র পেছনে পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মেয়রের নিজ দলীয় কয়েকজন কাউন্সিলরের ইন্ধন রয়েছে বলে মেয়রপন্থী একজর কাউন্সিলর মন্তব্য করেছেন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন