বন্দরনগরী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া এলাকায় বালিমহাল থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালি উত্তোলনের কারণে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কোন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে বালি উত্তোলনের মাধ্যমে রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো ধ্বংসসহ প্রতিনিয়ত জনভোগান্তির সৃষ্টি করছে। একদিকে লোহাগড়া উপজেলার ডলু, টংকাবতী, সরই, জাংছড়ি প্রভৃতি খালের তীর ও তীরবর্তী গ্রামীণ জনপদ কালভার্ট, ব্রিজ এখন মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন। অন্যদিকে বালুমহালের ইজারাদাররা বালি উত্তোলন করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে যত্রতত্র সতূপ করে রেখে রাস্তায় যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। জানা যায়, উপজেলার ২১টি বালিমহালের ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে ৩১ লক্ষাধিক টাকা সরকারি মূল্য নির্ধারিত হলেও অধিকাংশ ইজারাদারের পরিবেশ অধিদফতরের কোন ছাড়পত্র নেই। সরেজমিনে দেখা গেছে, বালি বোঝাই ট্রাকের চাপে গ্রামীণ রাস্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বালিমহালের ব্রিজের নিচ থেকে বালি উত্তোলনের ফলে ব্রিজগুলোও অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালি উত্তোলনের সুযোগে খালপাড়ের মাটি ও গাছগাছালি পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যায়। সচেতন মহলের মতে, বালিমহাল ইজারা দিয়ে সরকার হয়তো সাময়িক লাভবান হবে, কিন্তু তারচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ।
তথ্য সূত্র: আলোর মিছিল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন