বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০১০

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গণ ছিনতাই দোল উৎসব হয়নি

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গণ ছিনতাই দোল উৎসব হয়নি

সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গণছিনতাই হয়েছে। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ১৫ তীর্থযাত্রী আহত হয়েছেন। ছিনতাই আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ফিরে যাওয়ায় ঐতিহ্যবাহী দোল পূর্ণিমা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই স্থানে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মেলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দোল পূর্ণিমা উৎসব উপলক্ষে সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথধামে বিভিন্ন স্থান থেকে তীর্থযাত্রীরা সমবেত হতে থাকেন। ওইদিন সকাল থেকে তাঁরা পাদদেশ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ বেয়ে পাহাড়চূড়ার চন্দ্রধাম মন্দির দর্শন করতে উঠতে থাকেন। সকাল সাতটার দিকে ১৫-২০জন ছিনতাইকারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পৃথক দলে ভাগ হয়ে ছিনতাই শুরু করে। তারা তীর্থযাত্রীদের কাছ থেকে মুঠোফোন, গলার চেন, ঘড়িসহ নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। বাধা দিতে গিয়ে সাত নারীসহ ১৫ জন তীর্থযাত্রী আহত হন। এ ঘটনার পরপরই সীতাকুণ্ড মেলা কমিটির সদস্য ও পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিলেও তীর্থযাত্রীরা চন্দ্রনাথ মন্দিরে না উঠে ফিরে যেতে শুরু করেন। পঞ্জিকামতে, পূর্ণিমা তিথিতে দুদিনব্যাপী দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই সময়ে হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজন চন্দ্রনাথ মন্দিরে পুণ্য সঞ্চয়ের আশায় পূজা-অর্চনা করেন।
পটিয়া থেকে আসা তীর্থযাত্রী সুবাস ভৌমিক, নকুলচন্দ্র সাহা ও নাথুরাম সাহা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ‘তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসন ও মেলা কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’
মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারাধন চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, ‘ছিনতাইকারীদের ভয়ে তীর্থযাত্রী ফিরে যাওয়ায় দোল মেলা হয়নি। এখানে তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য স্থায়ীভাবে পুলিশ ফাঁড়ি করা খুবই প্রয়োজন।’
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘গহিন পাহাড় হওয়ায় পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন