সাতকানিয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ
পুলিশ হেফাজতে চোরের মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা নিয়ে সাতকানিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের হয়রানিসহ ব্যাপক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীদের ধরপাকড় করে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের পাশাপাশি মামলায় জড়িয়ে দেয়ার চেষ্টাও করছে পুলিশ। পুলিশের হয়রানির মুখে ব্যবসায়ী ও নিরীহ লোকজন আতংকে দিনাতিপাত করছে। পুলিশি হয়রানি বন্ধে কেরানিহাট প্রগতিশীল ব্যবসায়ী সমিতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অভিযোগে জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে কেরানিহাটে মাদকাসক্ত এক মোবাইল চোরকে ধরে এলাকাবাসী গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানার পুলিশ মোবাইল চোরকে উদ্ধার করে স্থানীয় আশশেফা হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ হেফাজতে মোবাইল চোর মারা যায়। পরে সাতকানিয়া থানার এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ২৯ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ চোরের বাড়ি চকরিয়া উপজেলায় দাবি করলেও তার সঠিক পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। বরং অজ্ঞাতনামা আসামি করে দায়ের করা মামলায় পুলিশ ব্যবসায়ীদের চরম হয়রানির পাশাপাশি উৎকোচ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। চোর মারা যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলেও পুলিশ এ মামলায় ব্যবসায়ীদের জড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীদের দোকানে ও বাসায় পুলিশ হানা দিয়ে হয়রানি করছে। ইতিমধ্যে জিয়াউল হক নামের এক ব্যবসায়ীকে পুলিশ এ মামলায় গ্রেফতার করেছে। ব্যবসায়ীদের পক্ষে ২৮ ফেব্র“য়ারি অনুষ্ঠিত থানার মাসিক আইন-শৃংখলা সভায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম, স্থানীয় সংসদ সদস্য আনম শামসুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মোনাফ ও ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আফরোজ লুনা চোরের মামলায় ব্যবসায়ীসহ নিরীহ মানুষকে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। ৪ মার্চ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
তথ্য সূত্র: যুগান্তর
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন