সোমবার, ৮ মার্চ, ২০১০

চট্টগ্রামে মশার উপদ্রব অতিষ্ঠ নগরবাসী

চট্টগ্রামে মশার উপদ্রব অতিষ্ঠ নগরবাসী
মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে মশার উৎপাত জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। মশা নিধনে পরিচালিত সিটি কর্পোরেশনের বিশেষ অভিযানও কাজে আসছে না। হাসপাতাল ও বাসা-বাড়িতে দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে থাকতে হচ্ছে নগরবাসীকে। সূর্য ডোবার আগেই মশার তাণ্ডব বেড়ে যায়। মশার কয়েল ও স্প্রে ব্যবহার করেও মশার তাণ্ডব থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসী।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী ইত্তেফাককে বলেন, ‘মশা নিধনে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিনামূল্যে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে নগরবাসীকে মশা নিধনে ব্যবহৃত ‘কালো তেল’ বিতরণ করা হচ্ছে। দৈনিক ৬টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে স্প্রে মেশিন দিয়ে কালো তেল ছিটানোর কার্যক্রম চলছে।’ শীত ও গ্রীষ্মকালে মশার প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সন্ধ্যা হলেই মশার তাণ্ডব নগরবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলে। এমনিতে বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। অনেক এলাকায় সন্ধ্যার পরে বিদ্যুৎ থাকে না। তার সাথে মশার উপদ্রবও বেড়ে যায়। ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম নিয়ে নগরবাসী অভিযোগ করেছেন। অনেক এলাকায় এক মাসেও মশার ওষুধ ছিটানো হয়নি। এছাড়া মশার প্রজনন ক্ষেত্র ডোবা, ডাস্টবিন নালাগুলো সময় মতো পরিষ্কার না করায় মশার প্রজনন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নগরীর চান্দগাঁও বাকলিয়া, শুলকবহর, বায়েজিদ, পাথরঘাটা, পাহাড়তলী, পতেঙ্গা, মাদারবাড়ি, হালিশহর, নাসিরাবাদ, পাঁচলাইশ এলাকায় মশার তান্ডব বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন অনেক ডাস্টবিন এক সপ্তাহেও পরিস্কার করা হয় না। আবর্জনা ডাস্টবিন ভরে রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। আবর্জনার দুর্গন্ধে পথচারীরা চলাচল করতে পারে না। সিটি কর্পোরেশন জানায়, মহানগরীতে ১ হাজার ৪০০টি ডাস্টবিন রয়েছে। ৭০টি গাড়ির মাধ্যমে এসব ডাস্টবিনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন