শনিবার, ৬ মার্চ, ২০১০

রাঙামাটির যোগাযোগে ইছাপুর বেইলি সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল


রাঙামাটির যোগাযোগে ইছাপুর বেইলি সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচল 
 

পর্যটন শহর রাঙামাটি জেলা পৌঁছার অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম ইছাপুর দুই লেনের বেইলি সেতুটির পাটাতন ভেঙে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে এ সেতু দিয়ে। যান চলাচল বিঘিœত হওয়ায় সড়কে যানজট স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ফলে এ সড়কে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে পর্যটকদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর এ বেহাল অবস্থা হলেও কর্তৃপক্ষ নজর দিচ্ছে না। সেতুটির সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় যেকোনো মুহূর্তে এখানে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ।
সরজমিন পরির্দশনে জানা যায়, ইছাপুর বাজারের উত্তর পাশে দু’লেনের এ বেইলি সেতুটি স্থাপন করা হয়েছিল প্রায় ১০ বছর আগে। স্থাপনের পর কয়েক বছর কোনো রকমে যানবাহন ও জনসাধারণ চলাফেরা করছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে এর পাটাতন ভেঙে যানচলাচল এমনকি পদব্রজে চলারও অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন কর্তৃপক্ষ নতুন সেতু না করে শুধু সাময়িকভাবে মেরামত করে দেয়। এভাবে কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবারো সেতুটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির অবস্থা নড়বড়ে, কারণ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে নিত্য যানজট লেগে আছে। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাউজান, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী ও পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে বেড়াতে আসা হাজার হাজার পর্যটককে।
রাউজান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুল হক বাবুল ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদককে বলেন, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করেছি, শুধু মেরামত করেই তারা দায়িত্ব শেষ করে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে তারা কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। এলাকার বাসিন্দা আবুল মনছুর এ প্রতিবেদককে জানান, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের এ ব্যস্ততম সড়কটির এ সেতুটি এভাবে অযতেœ কেন পড়ে আছে, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এর কোনো জবাব পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপদ সাবডিভিশন অফিসের উপ-প্রকৌশলী মো. শামসুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যায়যায়দিনকে জানান, চট্টগ্রাম রাঙামাটি-সড়কেই এ ব্রিজটিসহ মোট আটটি ব্রিজ ইবিবিআইপি প্রজেক্টের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সম্ভবত এই প্রজেক্টের কাজ জুন মাস থেকে শুরু হবে।


তথ্য সুত্র: যায়যায়দিন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন