শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০১০

নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে

নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে



মাছ ও মাংস সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও বেড়ে গেছে। এছাড়া মৌসুমের শাক-সবজির দামও কম নয়।


নগরীর বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সরবরাহ কম হওয়ায় মাছের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। একশ টাকার নিচে কোন মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। রুই মাছ কেজি ১৪০-২০০ টাকা, কাতাল ১৫০-১৬০, চিংড়ি ২০০-৬০০ টাকা, কোরাল ৪৫০-৫৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০-১৪০ টাকা ও সিলভার কার্প ১৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।


গরুর মাংস ৩০০-৩২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। মাংসের দাম আগের মতই আছে। তবে সাধারণের পক্ষে তা কেনা সম্ভব নয় বলে ক্রেতাদের অভিমত।


নগরীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতারা বিভিন্ন দামে পণ্য বিক্রি করছে। বিশেষ করে বাজারে যে দ্রব্যের সরবরাহ কম, তার দামেও হেরফের বেশি।


নগরীর চকবাজারের গতকালকের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম: মোটা চাল ৩৩-৩৫ টাকা, চিকন চাল ৩৫-৩৮, ডাল ১১৫-১২০, চিনি ৪৫-৪৮, লবণ ১৮-২০, ফার্মের মুরগির ডিম ডজন ৬৮, দেশি ডিম ডজন ৯৬, সয়াবিন তেল ১৮৫, আলু ৮-১২, বেগুন ১৫-২০, লাউ ১০-১২, কাঁচা মরিচ ৩৫-৪০, ধনেপাতা ৪০, মিষ্টি কুমড়া ১০, ঢেঁড়স ৩০, তিত করলা ৩০-৩২ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।


রেয়াজুদ্দিন বাজারে গতকালকে মোটা চালের দাম ছিল ২৮ টাকা, চিকন চাল ৩৫,আলু ১০ টাকা, টমেটো ৮, ফুলকপি ১৫, বাঁধাকপি ১০, ডাল ৮৬-৯০, লাউ ৭, বেগুন ৬, কাঁচামরিচ ২৫-২৮, পেঁয়াজ ১৬, দেশি মুরগির ডিম এক হালি ২৬-২৮, ফার্মের ২২, রসুন ৯০, গরুর মাংস ৩০০, দেশি মুরগি ২৩০ এবং ফার্মের মুরগি ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


গত সপ্তাহের তুলনায় ফার্মের মুরগির দাম বেড়ে গেছে। এছাড়া ক্রেতার চাহিদা কমে যাওয়ায় শীতকালীন সবজির দাম আগের চেয়ে কমে গেছে । তবে নতুন যেসব সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে সেগুলোর দাম আপাতত বেশি। যেমন একটা লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪-৫ টাকায়, বেল ৩০-৪০ টাকায়।


চকবাজারের মাংস বিক্রেতা নুর মোহাম্মদ বলেন, মাংসের দাম আগে যা ছিল এখনো তাই আছে।


রেয়াজুদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা সালাম বলেন, চার-পাঁচ মাস মাছের দাম বেশি থাকার সম্ভাবনা আছে। বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় মাছের সরবরাহ কম।


চাকরিজীবী ফজল আহমেদ একজন বিক্রেতার সাথে বেশ রেগে গিয়ে বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমাদের মত নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের চলাটা বড় কঠিন হয়ে যাচ্ছে। দোকনদাররা ইচ্ছামত দাম দিচ্ছে। আমি না কিনলেও আর একজন ঠিকই কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কথা ভাববার কেউ নেই।

তথ্য সূত্র: সুপ্রভাত


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন