শনিবার, ৬ মার্চ, ২০১০

"লোডশেডিং এর ছোবলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামবাসী"


লোডশেডিং এর ছোবলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রামবাসী
ফয়সল অভি


শীত মৌসুম রেশ যাওয়ার সাথে সাথেই চট্টগ্রামে ভয়াবহ আকারে লোডশেডিং শুরু হয়েছে । বিদ্যুতের এই আসা যাওয়ার খেলার কোন সুর্নিদিষ্ট সময়সূচী নেই । লোডশেডিং এর কানামাছি খেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চট্টগ্রামের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আর গার্হস্থ্য জীবনকে করছে বাধাগ্রস্ত সাথে সাথে কৃষি, ছোট বড় মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠা বিদ্যুতের এই অনিয়মতান্ত্রিক আসা যাওয়ায় রীতি মতো বিপর্যস্ত ।

বর্তমান মুহূর্তে চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াট সেখানে চট্টগ্রামের বিদুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন এর অর্ধেক পরিমান । ফলে বর্তমান মুহূর্তে চট্টগ্রামে গড় লোডশেডিং এর পরিমাণ ২৫০ মেগাওয়াট থেকে ২৮০ মেগাওয়াট । গ্যাসের অভাবে শিকলবাহা এবং রাউজান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের উৎপন্ন উল্লেখযোগ্য পরিমানে কম ।

আরো একটি চিন্তায় বিষয়; বিদ্যুতের এই ঘটতির কারণে গ্রামাঞ্চলে রাত ১১টার পর থেকে সেচের জন্য যে নিরবচ্ছিন্ন বিদুৎ সরবরাহ করা কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হচ্ছে না । পল্লী বিদুৎ সমিতি বিদ্যুতের এই ঘাটতি মোকাবেলা করার জন্য লোডশেডিং এর আশ্রয় নিচ্ছে ফলে গ্রাষ্ম মৌসুম আসার আগেই বিদুৎ সংকট ভয়াবহ আকারে রূপ নিচ্ছে ।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং করার কোন সময়সূচী না থাকার কারণে এই লোডশেডিং সহ্যের মাত্রাকে ছাড়িয়ে ভয়াবহ জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে । তাই কতৃপক্ষ বিদুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে চট্টগ্রামে লোডশেডিং এর সুর্নিদিষ্ট সময়সূচী নির্ধারন করে জনমানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করবে সেই রকমই প্রত্যাশা ।


তথ্য পরিচালনায়> "নতুন সূর্যোদয়" চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ।

২টি মন্তব্য: